নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নতুন সরকার গঠনের ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা নিয়ে আইনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ জনস্বার্থে হাইকোর্টে এই রিট আবেদনটি দায়ের করেন।
গণভোট নিয়ে আইনি চ্যালেঞ্জ
রিট আবেদনে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত গণভোটের ফলাফল বাতিল এবং এর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। আবেদনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি), মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও আইন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে বিচারপতি ফাতেমা নজীবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিটের ওপর শুনানি হতে পারে বলে জানা গেছে। উল্লেখ্য যে, গণভোটে ৪ কোটি ৮০ লাখেরও বেশি ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছিল, যা মোট ভোটের একটি বড় অংশ।
নির্বাচনী জামানত: কার কী অবস্থা?
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের জামানত রক্ষা ও হারানোর পরিসংখ্যানে বড় ধরণের রাজনৈতিক উত্থান-পতন লক্ষ্য করা গেছে।
বিএনপি: নির্বাচনে সর্বোচ্চ ২৯১ আসনে প্রার্থী দিয়ে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়া বিএনপি একটি অনন্য রেকর্ড গড়েছে। দলটির কোনো প্রার্থীকেই জামানত হারাতে হয়নি, যা তাঁদের ব্যাপক জনসমর্থনের বহিঃপ্রকাশ।
জামায়াতে ইসলামী: বিরোধী দলের আসনে বসতে যাওয়া জামায়াত ২২৯টি আসনে প্রার্থী দেয়। এর মধ্যে কেবল ৩ জন প্রার্থী নির্দিষ্ট সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন।
জাতীয় পার্টি: নির্বাচনের সবচেয়ে করুণ দশা হয়েছে জাতীয় পার্টির। ১৯৮টি আসনে প্রার্থী দিলেও কেবল ৫ জন প্রার্থী তাঁদের জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন। বাকি ১৯৩ জন প্রার্থীই নির্দিষ্ট সংখ্যক (১/৮ অংশ) ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন।
এনসিপি: তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি ৩২টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবং তাদের ৩ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। বাকিরা সম্মানজনক ভোট পেয়েছেন।
অন্যান্য: সিপিবি, বাসদ, নাগরিক ঐক্য ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বেশিরভাগ প্রার্থীই তাঁদের জামানত রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন।
For more information
আরো দেখুন