মোঃ তারেক জাহান চৌধুরী, সিলেট
আসন্ন ঈদ উপলক্ষে নগরীতে ট্রাফিক তদারকি জোরদার করা হয়েছে—শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে এটি অবশ্যই প্রয়োজনীয়। তবে বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে কিছু বিষয় নতুন করে ভাবার দাবি রাখে।
🔹 বিভিন্ন পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে মোটরসাইকেল জব্দ করা হচ্ছে। কিন্তু যে রেকারগুলো এসব বাইক বহন করছে, সেগুলোর চালকদের অনেকের বয়সই অপ্রাপ্তবয়স্ক মনে হয়। তাদের নিরাপত্তা সরঞ্জাম, প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স সংক্রান্ত প্রশ্নও রয়েছে। এতে যেমন মূল্যবান মোটরসাইকেলের ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, তেমনি পথচারীদের নিরাপত্তাও ঝুঁকির মুখে পড়ে।
🔹 একটি মোটরসাইকেল রেকার করলে চালক কমিশন পান ১২০ টাকা, অথচ ভুক্তভোগীকে গুনতে হচ্ছে প্রায় ১২০০ টাকা। এই বৈষম্য ও স্বচ্ছতার অভাব জনমনে প্রশ্ন তুলছে।
🔹 একই সঙ্গে দেখা যাচ্ছে, নগরীতে লাইসেন্স ও ফিটনেসবিহীন কিছু সিএনজি ও লেগুনা নির্বিঘ্নে চলাচল করছে। আইন প্রয়োগ যদি সমভাবে না হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের মাঝে বৈষম্যের অনুভূতি তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক।
শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা অবশ্যই প্রয়োজন, তবে তা যেন কোনোভাবেই হয়রানি বা অনিরাপদ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে না হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ—অভিযান পরিচালনায় দক্ষ ও লাইসেন্সধারী চালক নিয়োগ, স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণ এবং সবার ক্ষেত্রে সমান আইন প্রয়োগের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হোক।
আমরা বিশ্বাস করি, প্রশাসনের সদিচ্ছা ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপই নাগরিক আস্থা আরও শক্তিশালী করবে।
For more information
আরো দেখুন