সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন এলাকায় যে হত্যাকাণ্ড ও ভাঙচুর সংঘটিত হয়েছে, তা মানুষকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে উল্লেখ করে নেতারা বলেন, এর আগে সংঘটিত ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় মানুষের মনে উদ্বেগ রয়েই যাচ্ছে। এসব ঘটনায় দেশি-বিদেশি নানা অপশক্তি নানামুখী কার্যক্রম করার সুযোগ পাচ্ছে। এ সময় ছাত্ররাজনীতি বন্ধসহ বিরাজনীতিকরণের নানা ‘অপচেষ্টার’ বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন তাঁরা।
সিপিবির নেতারা বলেন, এই সরকারকে মনে রাখতে হবে, তারা একটি অন্তর্বর্তী সরকার। তারা নির্বাচনব্যবস্থার আমূল সংস্কার করে একটি গ্রহণযোগ্য শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের আয়োজন করবে। একই সঙ্গে বেশ কিছু জায়গায় সংস্কারের পূর্ণাঙ্গ প্রস্তাব উত্থাপন করে ওই সব কাজের সূচনা করবে। বাকি কাজ সম্পন্ন করবে নির্বাচিত সরকার। এসব কাজ করতে হবে রাজনৈতিক দল ও বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে। এসব কাজে জনগণের অংশগ্রহণও নিশ্চিত করতে হবে।