রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা অঞ্চলের দুটিসহ মোট ২৩টি নার্সিং কলেজ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন পরিচালিত হয়। এগুলোর মধ্যে চারটি সরকারি নার্সিং কলেজ আছে।
শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের একই শিক্ষাবর্ষের (২০১৯-২০) শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। সেপ্টেম্বরের মধ্যে পরীক্ষা ও ফলাফল না পেলে তাঁরা ছয় মাসের ইন্টার্নশিপ করতে পারবেন না। আর এটি ছাড়া আগামী বছরের মার্চে নার্সিং নিবন্ধন পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন না তাঁরা। তাই সেপ্টেম্বরের মধ্যেই পরীক্ষা ও ফলাফল প্রকাশ প্রয়োজন।
এদিকে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ইতিমধ্যে পদত্যাগ করেছেন। তাঁদের পরীক্ষা চালু করতে হলে অন্তত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককে প্রয়োজন হবে। রাজশাহী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ খন্দকার মো. ফয়সল আলম বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের সঙ্গে এ বিষয়ে তাঁর কথা হয়েছে। সম্ভবত আগামীকালের মধ্যে এখানে নতুন কাউকে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব দিবেন। ওই পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দ্রুত সময়ের মধ্যে পরীক্ষার ব্যবস্থা করবেন।