সিলেট ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

রমজানে দেশে এলপি গ্যাসের সংকট হবে না: বিইআরসি চেয়ারম্যান

News Room
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১০:১৬ অপরাহ্ণ
রমজানে দেশে এলপি গ্যাসের সংকট হবে না: বিইআরসি চেয়ারম্যান

এলপিজি বাজারে নজিরবিহীন নৈরাজ্য

গত কয়েকদিন ধরে দেশের বাজারে রান্নার কাজে ব্যবহৃত এলপিজি গ্যাসের দাম ও সরবরাহ নিয়ে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে। অনেক এলাকায় সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ টাকা দিয়েও মিলছে না সিলিন্ডার। গ্রাহকদের এই ভোগান্তির মধ্যেই বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি ২০২৬) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘এলপিজি বাজার নিয়ন্ত্রণ চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক একটি গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

বিইআরসি বনাম আমদানিকারক: দোষারোপের পালা

অনুষ্ঠানে এলপিজি আমদানিকারকরা চলমান এই সংকটের জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনসহ (বিইআরসি) সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষকে দায়ী করেন। তাঁদের দাবি:

  • তারা এলপিজি আমদানি বাড়াতে চাইলেও সরকার যথাসময়ে প্রয়োজনীয় সাড়া দেয়নি।

  • আমদানির ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জটিলতার কারণে বাজারে সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হয়েছে।

তবে আমদানিকারকদের এই দাবি সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। তিনি পাল্টা যুক্তি দিয়ে বলেন, “যারা বাড়তি আমদানি করতে চেয়েছে, তাদের কোনো বাধা দেওয়া হয়নি।” তিনি কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের উদাহরণ দিয়ে বোঝাতে চান যে, আমদানি প্রক্রিয়া সবসময় উন্মুক্ত ছিল।

রমজানে সংকটের সমাধান

ভোক্তাদের আশ্বস্ত করে বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ বলেন, “জানুয়ারি মাসে ১ লাখ ৫০ হাজার টন এলপিজি দেশে আসার কথা রয়েছে। আমদানি বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে ইনশাআল্লাহ সামনে পবিত্র রমজান মাসে দেশে এলপি গ্যাসের কোনো সংকট থাকবে না।”

বাজার নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি

সংকট কাটাতে আমদানির পাশাপাশি ডিলার ও রিটেইল পর্যায়ে নির্ধারিত দামে গ্যাস বিক্রি নিশ্চিত করতে বিইআরসি কঠোর মনিটরিং করবে বলেও জানানো হয়। অসাধু মজুতদারদের কারণে কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় সভায়।


এক নজরে বর্তমান অবস্থা:

বিষয়তথ্য
মূল সমস্যাসরবরাহ ঘাটতি ও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি রাখা।
জানুয়ারির আমদানি লক্ষ্য১,৫০,০০০ টন।
বিইআরসি’র অবস্থানআমদানিতে কোনো বাধা নেই; রমজানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
আমদানিকারকদের দাবিপ্রশাসনিক বিলম্বের কারণে সংকট।

For more information

আরো দেখুন