বোলিংয়ের পরিকল্পনা নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে হাসান বলেছেন, ‘আসলে আমার সতীর্থদের কৃতিত্ব দেওয়া উচিত, যারা প্রতিটি বলের পেছনে অনেক পরিশ্রম করে। আর পরিকল্পনা আসলে খুবই সরল ছিল। নতুন বল হাতে নিয়ে চেষ্টা করতে হয়েছে লাইন অনুযায়ী বল করে যাওয়া, যে রকমটা অধিনায়ক এবং দল চেয়েছে। আমরা চেষ্টা করেছি নিজেদের পরিকল্পনা অনুযায়ী বল করে উইকেট তুলে নিতে।’
রাওয়ালপিন্ডিতে এই দ্বিতীয় টেস্টে দারুণ এক কীর্তিও গড়েছেন বাংলাদেশের পেসাররা। এ সংস্করণে তাঁরা প্রথমবারের মতো প্রতিপক্ষের ইনিংসে নিয়েছেন সব কটি উইকেট। এ সাফল্যে নিজের ভূমিকা নিয়ে হাসান বলেছেন, ‘যখনই কোনো পেসারকে বল দেওয়া হয়, তখন পরিকল্পনা থাকে উইকেট নেওয়ার মতো বল কীভাবে করা যায় সেটা। যত বল করতে পারব, তত সফল হতে পারব। তাসকিন ভাই শুরু করেছিল দিনের প্রথম উইকেট দিয়ে। এরপর রানা দুর্দান্ত বল করেছে। হয়তো মোমেন্টামটা আমাদের দিকে শিফট করেছে। এরপর আমাকে বল দেওয়া হলো। আমিও আমার প্রক্রিয়ার মধ্যে ছিলাম। এ জন্যই উইকেটগুলো নিতে পেরেছি।’