সিলেট ২রা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৬ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

জুলাই জাতীয় সনদ অবৈধ ঘোষণার দাবিতে হাইকোর্টে রিট, স্থগিতাদেশের আবেদন

News Room
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৬:১৭ অপরাহ্ণ
জুলাই জাতীয় সনদ অবৈধ ঘোষণার দাবিতে হাইকোর্টে রিট, স্থগিতাদেশের আবেদন

নতুন সরকার গঠনের রেশ কাটতে না কাটতেই ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর বৈধতা নিয়ে বড় ধরণের আইনি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে রাষ্ট্র সংস্কার প্রক্রিয়া। এই সনদকে অবৈধ ও সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক দাবি করে এর কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী অ্যাডভোকেট ড. ইউনুছ আলী আকন্দ।

রিটের মূল বিষয়বস্তু

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে জনস্বার্থে এই রিটটি দায়ের করা হয়। রিটে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-কে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়ার পাশাপাশি এর সকল কার্যক্রমের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ চাওয়া হয়েছে। রিটকারী আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ জানান, সংবিধান অনুযায়ী যেকোনো সংস্কার বা পরিবর্তন নির্দিষ্ট সাংবিধানিক কাঠামোর বাইরে করার সুযোগ নেই, যা এই সনদের ক্ষেত্রে লঙ্ঘিত হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

যাদের বিবাদী করা হয়েছে

রিটে সরকারের নীতি-নির্ধারক ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে বিবাদী করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন:

  • মন্ত্রিপরিষদ সচিব

  • আইন সচিব

  • জাতীয় ঐকমত্য কমিশন

  • প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি)

শুনানির দিনক্ষণ

অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে বিচারপতি রাজিক আল জলিলের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।

প্রেক্ষাপট

এর আগে গত মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সুপ্রিম কোর্টের আরেক আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন। একদিনের ব্যবধানে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ নিয়ে সরাসরি রিট হওয়ায় আইনি অঙ্গনে ব্যাপক কৌতূহল ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য, এই জুলাই জাতীয় সনদের আলোকেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি ১৯টি মৌলিক সংস্কার ইস্যুতে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়েছে।

For more information

আরো দেখুন