জুলকার নাইন সাইরাস, সিলেট | ৯ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে দেখা দিয়েছে তীব্র জ্বালানি তেল সংকট। বাংলাদেশে বর্তমানে আনুমানিক ১০ দিনের জ্বালানি মজুদ থাকলেও সিলেটে এক শ্রেণির অসাধু সিন্ডিকেটের কারণে তৈরি হয়েছে কৃত্রিম সংকট। পাম্পগুলোতে তেল না পেয়ে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে, যা গড়িয়েছে হাতাহাতি পর্যন্ত।
সোমবার (৯ মার্চ) রাত ১২টার দিকে সিলেট নগরীর একটি ফিলিং স্টেশনে ২০০ টাকার বেশি পেট্রোল ও অকটেন দিতে অস্বীকৃতি জানালে পাম্প কর্তৃপক্ষ ও গ্রাহকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী গ্রাহকরা অভিযোগ করেন, অনেক পাম্পে তেল থাকা সত্ত্বেও ‘সংকট’ দেখিয়ে বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে অথবা লুকিয়ে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে পাম্প কর্তৃপক্ষের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। বর্তমানে সিলেটের অনেক পাম্পে ‘তেল নেই’ লেখা সাইনবোর্ড ঝুলছে, অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো তৎপরতা এখনো লক্ষ্য করা যাচ্ছে না।
মজুদ কমে আসায় এবং ব্যবহার সীমিত করার লক্ষ্যে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে। তবে তিনি জনদুর্ভোগের কথা চিন্তা করে সেই প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। সংকট কাটাতে ইতিমধ্যে ভারতের কাছে জরুরি সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশে ১০ দিনের মজুদ থাকলেও আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে বাংলাদেশসহ পুরো বিশ্ব অপূরণীয় ক্ষতির মুখে পড়বে। তেলের দাম না বাড়লেও কৃত্রিম সংকটের মাধ্যমে একটি চক্র বাজার অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে। এ অবস্থায় সরকার জনগণকে ধৈর্য ধরার এবং জ্বালানি ব্যবহারে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
Summary
Article Nameজ্বালানি সংকটে সিলেটের ফিলিং স্টেশনে হাহাকার: পাম্পে সংঘর্ষ, তবুও দাম না বাড়াতে অনড় সরকার
Description৯ মার্চ ২০২৬ সিলেটে জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকটে হাহাকার। ১০ দিনের মজুদ থাকলেও দাম বাড়বে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাম্প সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রশাসনের নিরবতা নিয়ে ক্ষোভ।
Author
sylheterawaz24.com
Publisher Name
sylheterawaz24.com
Publisher Logo