সিলেট , ,

গোয়াইনঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স লোকবল সঙ্কটে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা

News Room
প্রকাশিত November 19, 2024, 03:05 PM
গোয়াইনঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স লোকবল সঙ্কটে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার স্বাস্থ্যসেবার একমাত্র সম্বল ৫০ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। চিকিৎসক সঙ্কটে হাসপাতালটিতে সেবা কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। ৫০ শয্যার কমপ্লেক্সে অউটডোর থাকছে চিকিৎসকশূন্য। নোংরা পরিবেশ বিরাজ করছে পরিচ্ছন্নতাকর্মীর অভাবে। উপজেলার ৩ লক্ষ ৫৫ হাজার জনঅধ্যুষিত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ২০১১ সালে ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত হলেও উন্নত সেবা পাননি এলাকাবাসী। এখানে চিকিৎসক পোস্টিং হলেও মন্ত্রণালয়সহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে সহজেই বদলি হন চিকিৎসকরা। ফলে শূন্যপদ আর সহজে পূরণ হয় না। চিকিৎসা সেবায় বঞ্চনার অবসান হয় না জনসাধারণের। জুনিয়র কনসালটেন্টের দশটি পদসহ মোট ৩০টি পদ থাকেলও বর্তমানে ইউএইচওসহ ৬ জন চিকিৎসক রয়েছেন এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। ১০ জন জুনিয়র কনসালাটেন্টের মধ্যে শুধু মেডিসিন ও এনেস্তেশিয়ার দুইজন চিকিৎসক দায়িত্বে রয়েছেন। সপ্তাহে ২/১ দিন আসেন। এছাড়া কার্ডিওলজি কনসালটেন্ট ডা. গুলশান আরা কামাল সংযুক্তিতে ফেঞ্চুগঞ্জে রয়েছেন। সহকারী সার্জন (ইউনানি) ডা. মো. আনিসুল হোসেন ২০১৪ সালে যোগদান করেই সংযুক্তিতে সিলেট সদর হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন। গোয়াইনঘাটবাসীর জন্য অর্থপেডিক্স, ইএনটি, গাইনি, চর্ম ও যৌনসহ জরুরি ১০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের স্থলে রয়েছেন মাত্র দুজন। মোট ৩০ পদে ৬ জন থাকলেও সকল বিভাগের কার্যক্রম পরিচালনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। কোনো কোনো সময় আউটডোরে কোনো চিকিৎসকই পাওয়া যায় না। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কিশোলয় সাহ বলেন, এমনিতেই লোকবল সঙ্কট। যারা আছেন তাদের মধ্যেও সিলেট ও ঢাকায় ট্রেনিংয়ে আছেন দুজন। আরেকজনের বাবা মারাত্মক অসুস্থ। তাই তিনি বাড়িতে গেছেন। শনিবার থেকে আউটডোরে চিকিৎসক থাকবেন। এলকাবাসীর অভিযোগ জরুরি বিভাগে ইএমও না থাকায় রোগীরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এখানে বেশিরভাগ সময়ই নার্সরা রোগী দেখে ভর্তি দেন। পরিচ্ছন্নতা কর্মীর অভাবেও কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। নোংরা পরিবেশের কারণে অস্বস্তিতে পড়ছেন রোগী ও স্বজনরা। সম্প্রতি সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় দত্ত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এলে তার সাথে কথা হয় লোকবল সঙ্কটের বিষয়ে। তিনি বলেন, ডাক্তার পোস্টিং, বদলি হয় মন্ত্রণালয় থেকে। এতে স্থানীয় প্রশাসনের হাত নেই। এখানে প্রথম এক্সরে, ইসিজি, আলট্রাসনোগ্রাম চালু করেছিলেন বর্তমান স্বাস্থ্য প্রশাসক। কিন্তু লোকবলের অভাবে ইতোমধ্যে এক্সরে সেবা বন্ধ হয়ে গেছে। দন্ত বিভাগে এক্সরে, চেয়ারসহ মূল্যবান যন্ত্রপাতি দিলেও ২০২২ সালের বন্যার কারণে বিনষ্ট রয়েছে নেই দন্ত বিশেষজ্ঞও।

 

 

For more information

আরো দেখুন|