গল্পেও নতুনত্বের অভাব ছিল। তবে হালকা মেজাজে সিনেমাটি দেখতে বসলে দর্শকেরা খুব একটা হতাশ হবেন না। ‘হাসিন দিলরুবা’র মতো ‘ফির আয়ি হাসিন দিলরুবা’তেও দীনেশ পণ্ডিতের উপস্থিতি দেখতে পাওয়া যায়। তাঁর বইগুলোর এক একটা সংলাপ যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, তা বেশ প্রশংসনীয়।
তবে তাঁর ব্যাপারে সবচেয়ে অবাক করা তথ্য জানতে দর্শকদের অপেক্ষা করতে হবে একদম শেষ দৃশ্য পর্যন্ত। সিনেমার গল্পের গাঁধুনিতে বেশ কিছু বড় ফাঁক চোখে পড়বে। তবে শেষ পর্যন্ত সব প্রশ্নেরই উত্তর মেলে।
তবে ‘হাসিন দিলরুবা’ সিনেমার শেষটা দর্শককে যতটুকু চমকে দিতে পেরেছিল, ‘ফির আয়ি হাসিন দিলরুবা’ সে ক্ষেত্রে অনেকটাই ব্যর্থ। চমক ছিল না তা না, তবে দর্শকদের কি একই চমকে বারবার মুগ্ধ করা যায়? ‘হাসিন দিলরুবা’ ফ্র্যাঞ্চাইজিতে লেখক কনিকা ধিলোঁ মূলত হিন্দি পাল্প ফিকশন লেখকদের শ্রদ্ধার্ঘ্য জানাতে চেয়েছেন; তবে দুর্বল চিত্রনাট্যের কারণে সে চেষ্টা পুরোপুরি সফল হয়নি।