সিলেট ২রা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৬ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

তারেক রহমান-শফিকুর রহমান বৈঠক: সহিংসতা রোধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস

News Room
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১০:৪২ অপরাহ্ণ
তারেক রহমান-শফিকুর রহমান বৈঠক: সহিংসতা রোধে কঠোর পদক্ষেপের আশ্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতা ও সংখ্যালঘু নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। রোববার সন্ধ্যায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের বাসভবনে এক সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এই আশ্বাস দেন।

বৈঠকের প্রেক্ষাপট: রাত ৭টা ১০ মিনিটের দিকে তারেক রহমান জামায়াত আমীরের বাসভবনে পৌঁছান। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর দুই শীর্ষ নেতার এই প্রথম আনুষ্ঠানিক সাক্ষাৎকে ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন ডা. শফিকুর রহমান। বৈঠক শেষে এক ফেসবুক পোস্টে তিনি তারেক রহমানকে ‘ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে অগ্রিম অভিনন্দন জানান।

সহিংসতা ও সংখ্যালঘু নিরাপত্তা: বৈঠক শেষে জামায়াত আমীর জানান, আলোচনায় তারেক রহমান তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন যে নির্বাচন-পরবর্তী কোনো সহিংসতা, বিরোধী দলের ওপর হামলা কিংবা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যেকোনো ধরণের আঘাত রোধে তিনি কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ নেবেন। ডা. শফিকুর রহমান এই আশ্বাসকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, “আমাদের প্রত্যাশা, কোনো নাগরিকই যেন ভয়ভীতি বা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হয়।”

সংসদে জামায়াতের ভূমিকা: নির্বাচনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আসন পাওয়া ১১-দলীয় জোটের প্রধান ডা. শফিকুর রহমান স্পষ্ট করেন যে, জাতীয় স্বার্থে তাঁর দল সরকারকে পূর্ণ সহযোগিতা করবে। তবে আদর্শিক বিরোধী দল হিসেবে সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিতে তাঁরা আপসহীন থাকবেন। তিনি বলেন, “আমাদের উদ্দেশ্য সংঘাত নয়, বরং সংশোধন; বাধা দেওয়া নয়, বরং পর্যবেক্ষণ।”

নতুন রাজনীতির সূচনা: রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দুই শীর্ষ নেতার এই সংলাপ বাংলাদেশের রাজনীতিতে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও পরিপক্বতার এক নতুন অধ্যায় সূচনা করবে। ডা. শফিকুর রহমান একটি ফ্যাসিবাদমুক্ত, সার্বভৌম এবং ইনসাফ ও ন্যায়বিচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ব্যক্ত করেন।

For more information

আরো দেখুন