হলফনামায় সম্পদের খতিয়ান
ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি প্রতীক নিয়ে মাধবপুর-চুনারুঘাট আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা গিয়াস উদ্দিন তাহেরির হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ টাকা। মজার ব্যাপার হলো, তাঁর সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ কেবল নিজের নামেই রয়েছে। স্ত্রীর নামে কোনো নগদ টাকা, ব্যাংক ব্যালেন্স এমনকি স্বর্ণালঙ্কারও নেই বলে হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে।
আয়ের উৎস ও পরিমাণ
তাহেরির আয়ের প্রধান তিনটি উৎস হলো—কৃষি, ব্যবসা এবং ব্যাংক আমানতের সুদ।
ব্যবসা: বছরে আয় ৭ লাখ ৯১ হাজার টাকা (প্রধান আয়ের উৎস)।
কৃষি খাত: বছরে আয় ২৬ হাজার ৪০০ টাকা।
ব্যাংক সুদ: বছরে পান ২২ হাজার ৮৯২ টাকা।
অস্থাবর সম্পদ
নগদ টাকা: ৪১ হাজার ২৮৬ টাকা।
ব্যাংক জমা: ৭ লাখ ৬৩ হাজার ৬০৬ টাকা।
স্বর্ণালঙ্কার: নিজের নামে ৩১ ভরি স্বর্ণ রয়েছে, যার মূল্য দেখানো হয়েছে ৬ লাখ টাকা। (বি:দ্র: বর্তমান বাজার মূল্যের চেয়ে এটি অনেক কম)।
আসবাবপত্র: ৫ লাখ টাকার আসবাবপত্র রয়েছে।
স্থাবর সম্পদ ও বসতভিটা
তাহেরির সম্পদের সিংহভাগই হলো কৃষিজমি। হলফনামায় তাঁর ১ কোটি ৬০ লাখ ৩৯ হাজার টাকা মূল্যের কৃষিজমি থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলা ও পারিবারিক প্রেক্ষাপট
গিয়াস উদ্দিন তাহেরির পৈতৃক বাড়ি কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার ভাজরা গ্রামে। তবে হবিগঞ্জের মাধবপুরে তাঁর শ্বশুরবাড়ি হওয়ার সুবাদে তিনি এই এলাকা থেকে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন।
বিশ্লেষণ
সাধারণত প্রার্থীদের হলফনামায় পরিবারের সদস্যদের নামেও কিছু সম্পদ দেখা যায়, কিন্তু তাহেরির ক্ষেত্রে তাঁর স্ত্রী বা নির্ভরশীলদের নামে কোনো সম্পদ না থাকাটি স্থানীয় ভোটার ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশ কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে গৃহিণী স্ত্রীর নামে কোনো স্বর্ণালঙ্কার না থাকাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও আলোচনা চলছে।
For more information
আরো দেখুন