আসামিরা হাসপাতালে প্রতারণা, দুর্নীতি, টাকা আত্মসাৎ, চুরি, বাটপাড়ি, টেন্ডার বাণিজ্য, অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, বিনা মূল্যে সরকারি ওষুধ না দিয়ে দালালদের মাধ্যমে বাইরে বিক্রি, ওটি থেকে ওষুধ চুরি করে দালাল দিয়ে বাইরের ফার্মেসিতে বিক্রি করতেন বলে অভিযোগ আছে। এতে হাসপাতালের সুনাম দিন দিন ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে এজাহারে বলা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, ইসরাইল জ্যেষ্ঠ স্টাফ নার্স হয়েও একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী এবং অবৈধভাবে রাতারাতি শত শত কোটি টাকার মালিক হয়ে আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছেন। ক্ষমতার দাপটে কাউকে তোয়াক্কা করেন না। তিনি হাসপাতালের অঘোষিত মালিক ও নিজেকে ‘মুকুটহীন সম্রাট’ মনে করেন। তাঁর বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, যৌন হয়রানি, ভুয়া বিল করে উপপরিচালকের নামে অর্থ আত্মসাৎ, করোনায় নার্সদের জন্য বরাদ্দ করা অর্থ আত্মসাৎসহ নানা অভিযোগ আছে।