এসব ঘটনায় সাথে মাঝেমধ্যে বিএনপির নেতাকর্মীদের নাম উঠে আসছে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ—কর্তৃপক্ষের নজরদারি না থাকায় লুট চালিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় বারকি শ্রমিকরা। আর এই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ মহল। প্রশাসন চাইলে একটি পাথরও কেই নিয়ে যেতে পারবে না। লুট বন্ধে প্রশাসনের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে।
জানাতে চাইলে কোম্পানিগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী অফিসার আজিজুন্নাহার বলেন, লুট ঠেকাতে অভিযান অব্যাহত আছে। কিছুদিন পর পর অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানে জব্দ করা হচ্ছে অবৈধ মেশিন, ধ্বংস করা হচ্ছে বারকি নৌকা। অনেক সময় করা হচ্ছে জেল-জরিমানা। এতো কিছুর পরও বন্ধ করা যাচ্ছে না লুটের এই ভয়াবহতা। লুট বন্ধে তাদের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
পরিবেশ অধিদপ্তর সিলেট বিভাগীয় কার্যালয়ের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মো. ফেরদৌস আনোয়ার জানান, অনিয়ন্ত্রিত পাথর ও বালু উত্তোলনে পরিবেশের ওপর পড়ছে মারাত্মক প্রভাব। ভোলাগঞ্জ ‘ইকোলজিক্যালি ক্রিটিক্যাল এরিয়া’ (ইসিএ) হিসেবে ঘোষিত না হওয়ায় সেখানে আইনি পদক্ষেপ সীমিত। জাফলং বা ইসিএ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করার মাধ্য যেভাবে মামলা করা হয় ভোলাগঞ্জের ক্ষেত্রে সেটি করা যাচ্ছে না। তবে ভোলাগঞ্জকে ইসিএ এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা যায় কি না সেটি দেখা যেতে পারে।
ভোলাগঞ্জ পাথর কোয়ারির সঙ্গে জীবিকা জড়িত কয়েক লাখ শ্রমিক। তাই প্রশাসনের তদারকির মাধ্যমে কোয়ারি চালু রাখার সাথে সাথে সংরক্ষিত এলাকায় প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো দরকার বলে মনে করেন স্থানীয়রা।