স্টাফ রিপোর্টারঃ জাফলং পাথর কোয়ারি এলাকায় স্থাপিত পাথর ক্রাশিং মিলসমূহের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে অভিযান শুরু করেছে টাস্কফোর্স।
আজ বুধবার সকাল ১১টা থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বিদ্যুৎ বিভাগ, পুলিশ, বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত টাস্কফোর্স এ অভিযান শুরু করে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অন্তত ১০টি ক্রাশার মিলের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মিটার জব্দ করা হয়েছে।
এর আগে সোমবার (১৬ জুন) সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত সিলেট সদর উপজেলার ধোপাগুল এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেরিনা দেব নাথ।
সেনাবাহিনী, পুলিশ ও র্যাব সদস্যদের নিয়ে পরিচালিত এই অভিযানে প্রথম দিনেই ২৫টি ক্রাশার মিলের ৫৪টি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়, ফলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মিলের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়ে।
এর আগে শনিবার (১৪ জুন) জাফলং এলাকা পরিদর্শনে যান অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ও জ্বালানি উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান। তারা পাথর উত্তোলন ও পরিবেশ বিনষ্টকারী কার্যক্রম বন্ধে প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন,‘পাথর উত্তোলন না হলে এসব ক্রাশারে পাথর আসছে কোথা থেকে? আমদানি করা পাথর হলে তা নির্দিষ্ট এলাকায় থাকার কথা। তাই বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে সরিয়ে দিতে বলেছি।’
এই ঘোষণার পর ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা উপদেষ্টাদের গাড়ি আটকে বিক্ষোভ করে। পরবর্তীতে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনার পরদিন পুলিশ ১৫৯ জনকে আসামি করে মামলা করে এবং এরই ধারাবাহিকতায় প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অবৈধভাবে চালু ক্রাশার মিলগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং পরিবেশ বিধ্বংসী কার্যক্রম কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না।
For more information
আরো দেখুন