স্টাফ রিপোর্টার: খাবার খেয়ে কখনো বিল দিতেন না শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি খলিলুর রহমান। বিল চাইলে চড়াও হতেন রেস্টুরেন্টের মালিক ও স্টাফদের উপর। বিল চাওয়ার সাহস না থাকায় রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ শুধু বাকির খাতায় হিসেব লিখে রাখতো।
এছাড়া চাঁদা না পেলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ারও হুমকি দিতেন তিনি। শাবিপ্রবি’র প্রধান ফটক সংলগ্ন ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, ছাত্রলীগ সভাপতি খলিলুর রহমান ও তার সহযোগীরা আওয়ামী লীগ ক্ষমতাসীন থাকাবস্থায় নানা অপকর্মে জড়িত ছিল। ক্যাম্পাসে দলীয় প্রোগ্রামের জন্য ব্যবসায়ীদের কাছে চাওয়া হতো চাঁদা। খেলার জন্য জোর করে আদায় করা হতো স্পন্সর। রমজান মাসে ইফতার মাহফিলের আয়োজনও হতো চাঁদার টাকায়।
কেউ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হুমকি দেওয়া হতো ভোক্তা অধিকারের মামলা দিয়ে হয়রানির। এমনকি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ারও হুমকি দেওয়া হতো।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের পার্শ্ববর্তী সবুজ বাংলা রেস্টুরেন্টের স্বত্তাধিকারী মো. আবুল হোসেন জানান, গত রমজানে ইফতার মাহফিলের জন্য তার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন খলিলুর রহমান। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এছাড়া রেস্টুরেন্টে খলিলুর রহমান ও তার সহযোগীরা বাকি খেতেন, কিন্তু কখনো বিল পরিশোধ করতেন না। টাকা চাইলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতেন। ক্ষমতা হারানোর আগেও জোর করে ৫ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেন সবুজ বাংলা রেস্টুরেন্টের স্বত্তাধিকারী।
এ ব্যাপারে জানতে শাবিপ্রবি ছাত্রলীগের সভাপতি খলিলুর রহমানকে বারবার ফোন দিলে মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
For more information
আরো দেখুন|