হত্যার নেপথ্যে রাজনৈতিক আক্রোশ
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে পরিকল্পিতভাবে গুলি করে হত্যার নেপথ্যে ছিল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, যুবলীগ নেতা ও মিরপুরের ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পির সরাসরি নির্দেশেই এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সমালোচনা করার কারণেই হাদিকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
ডিবি’র সংবাদ সম্মেলন ও চার্জশিট
আজ মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ডিবি প্রধান এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে হাদি হত্যা মামলার তদন্ত শেষ করে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দেওয়া হয়।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও মৃত্যু
উল্লেখ্য যে, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর পল্টনের বিজয়নগর এলাকায় এই বর্বরোচিত হামলার ঘটনা ঘটে। মোটরসাইকেলে আসা দুই যুবক শরিফ ওসমান হাদিকে লক্ষ্য করে মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়।
১. প্রাথমিক চিকিৎসা: গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং পরে এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি করা হয়। ২. উন্নত চিকিৎসা: পরিবারের সিদ্ধান্তে ১৫ ডিসেম্বর তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। ৩. মৃত্যু: দীর্ঘ কয়েকদিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে গত ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
শোক ও বিচার দাবি
ওসমান হাদির প্রয়াণে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছিল। ডিবি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মামলার পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
For more information
আরো দেখুন