সিলেট , ,

সিসিকের ২৫০০ কোটি টাকার প্রকল্প বাতিল, টাকার অভাবে বন্ধ উন্নয়ন

News Room
প্রকাশিত January 19, 2025, 03:02 PM
সিসিকের ২৫০০ কোটি টাকার প্রকল্প বাতিল, টাকার অভাবে বন্ধ উন্নয়ন

সিসিকের ২৫০০ কোটি টাকার প্রকল্প বাতিল, টাকার অভাবে বন্ধ উন্নয়ন

সিকি শতাব্দীর জীবনে এমন দুর্দশায় কখনই পড়েনি সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক)। উন্নয়নকাজ তো দূরের কথা নৈমিত্তিক কাজগুলো চালিয়ে নিতেও হিমশিম খাচ্ছে নগরভবন। নগরজুড়ে পড়ে থাকা অর্ধ সমাপ্ত কাজগুলো যেনো সেটি চোখে আঙুল দিয়েই দেখিয়ে দিচ্ছে। অর্থ সংকটে প্রায় ১শ কোটি টাকার উন্নয়নকাজ থমকে আছে। বাইরের চিত্রের মতো ভেতরেও একই অবস্থা। টাকা-কড়ির টানাটানিতে ‘নগরসংসার’ চালানোই দুরূহ হয়ে পড়েছে। অর্থ সংকটের কারণে উন্নয়ন কাজ থমকে আছে, যেসব কাজ চলছে সে গুলোর ক্ষেত্রেও ঠিকাদারদের বিল ঠিকমতো পরিশোধ করতে পারছে না নগরকর্তৃপক্ষ। ঠিকাদারদের ৫০ কোটি টাকার মতো বিল পাওনা রয়েছে নগর কর্তৃপক্ষের কাছে। ঠিকাদাররা কাজ ফেলে রেখেই তাই চলে গেছেন। আর নগরের উন্নয়নে নেওয়া ২৫০০ কোটি টাকার প্রকল্প বাতিল হয়ে গেছে ৫ আগস্টের পট পরিবর্তনের পর।

 

সিসিকের পরিধি বেড়েছে। আগে যেখানে ২৭টি ওয়ার্ড ছিলো, এখন সেখানে ৪২টি। ব্যয় তাই স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে। এলাকা দ্বিগুণ হওয়ায় বেড়েছে উন্নয়নকাজের প্রয়োজনীয়তা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী মেয়র হিসেবে সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্ব নেওয়ার পর নগরের উন্নয়নে বেশ কয়েকটি প্রকল্প গ্রহণ করেন। ২০২৪ সালের এপ্রিলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে ২ হাজার ৭শ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প জমা দিয়েছিলেন তিনি। সড়ক, ড্রেন, ছড়া-খাল, কালভার্ট, ওয়াকওয়ে, স্ট্রিট লাইট, ফুটপাতসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজ পরিচালনার জন্য প্রথমে তিনি ২৭০০ কোাটি টাকার প্রকল্প জমা দিয়েছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে। ওই প্রকল্প জমা দেওয়ার পরের মাসে অর্থাৎ ২০২৪ সালের মে মাসে স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব মো. শামীম আলমের নেতৃত্বে মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধি দল সিলেট আসে। ৩ দিন সিলেটে অবস্থান করে ঢাকায় ফিরে গিয়ে তারা প্রকল্পটির আকার কমিয়ে আনেন আড়াই হাজার কোটি টাকায়। এরপর ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ক্ষমতার পালা বদল ঘটে। ওলট-পালট ঘটে সবকিছুতেই। পরে প্রকল্পটিরই ‘অকালমৃত্যু’ ঘটে। গেলো ৫ সেপ্টেম্বর প্রকল্প যাচাই কমিটির সভায় স্থানীয় সরকার সচিব আবু হেনা মোর্শেদ জামান প্রকল্পটি বাতিল করে দেন। আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর পাঠানো প্রকল্পটি অপ্রয়োজনীয় ও অপরিকল্পিত উল্লেখ করে তা বাতিল করা হয়।

For more information

আরো দেখুন