জনস্বার্থে জেলা প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনা
সিলেট শহরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, বিদ্যুৎ লোডশেডিং হ্রাস এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা ও বন্ধের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে জেলা প্রশাসন। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলম স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই নির্দেশনা জারি করা হয়।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, সিলেটের জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কমাতে এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে। এটি সরকারি আদেশ হিসেবে গণ্য হবে এবং অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রতিষ্ঠানভেদে নতুন সময়সূচি একনজরে
জেলা প্রশাসন ও সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি) কর্তৃক ঘোষিত সময়সূচি নিচে দেওয়া হলো:
| প্রতিষ্ঠানের ধরন | বন্ধের সময়সূচি |
| হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ওষুধের ফার্মেসি | ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে |
| আবাসিক হোটেল ও খাবার হোটেল/রেস্তোরাঁ | ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকবে |
| মিষ্টির দোকান, মুদি দোকান ও কাঁচাবাজার | রাত ১০টা থেকে ১০টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত |
| মাজার সংলগ্ন স্যুভেনির শপ (শাহজালাল ও শাহপরান রহ.) | রাত ১১টা পর্যন্ত |
| অন্যান্য সকল বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও দোকান | রাত ৯টা ৩০ মিনিট (সাড়ে ৯টা) |
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) গণবিজ্ঞপ্তি
একই দিনে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী স্বাক্ষরিত একটি পৃথক গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সেখানেও অনুরূপ সময়সূচি ঘোষণা করে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে ও শহরের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে মাজার এলাকার পর্যটন ও ধর্মীয় গুরুত্ব বিবেচনা করে সেখানকার স্যুভেনির শপগুলোকে রাত ১১টা পর্যন্ত খোলা রাখার বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
কেন এই সিদ্ধান্ত?
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই নির্দেশনার পেছনে কয়েকটি মূল লক্ষ্য রয়েছে:
১. বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও লোডশেডিং হ্রাস করা।
২. গভীর রাত পর্যন্ত অহেতুক আড্ডা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ।
৩. মাদকাসক্তি প্রতিরোধে নজরদারি বাড়ানো।
৪. রাতে শহরের শান্ত পরিবেশ বজায় রাখা যাতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত না ঘটে।
প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগ থেকে সকল ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্টদের এই নির্ধারিত সময়সূচি যথাযথভাবে অনুসরণ করার জন্য বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।
For more information
আরো দেখুন