সিলেট , ,

কানাইঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

News Room
প্রকাশিত November 10, 2024, 06:12 AM
কানাইঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

কানাইঘাট প্রতিনিধি: সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র উপজেলা স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তা ডা. সুবল চন্দ্র বর্মন ও প্রধান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক মো: রুহুল আমীনের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ও সিভিল সার্জনের কাছে পৃথক অভিযোগ দিয়েছেন এলাকাবাসী।
অভিযোগ এলাকাবাসী উল্লেখ করেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তা ডা. সুবল চন্দ্র বর্মন ও প্রধান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক রুহুল আমীন বিগত কয়েক বছর যাবৎ অত্র প্রতিষ্ঠানে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের ছত্র ছায়ায় এবং তাহারা নিজেদের আওয়ামী লীগের কর্মী হিসাবে পরিচয় দিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি করে আসছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কানাইঘাট এ অবস্থান না করে ডা. সুবল চন্দ্র বর্মন সিলেট হতে মাঝে-মধ্যে কর্মস্থলে আসেন এবং সরকারি গাড়ি নিয়ে জৈন্তা উপাজেলায় চেম্বার করেন। সরকারি বরাদ্দকৃত গাড়ি তিনি নিজের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেন। গাড়ি ব্যবহার করে তিনি সিলেট থেকে কানাইঘাট সহ বিভিন্ন স্থানের পরিবার নিয়ে ঘুরে বেড়ান। উপজেলা স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তা নিজ কর্মস্থলে না থাকার ফলে স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন হাজারো অসহায় দরিদ্র মানুষ। ডা: সুবল চন্দ্র বর্মন আওয়ামী লীগের দোসর সে সব সময় দুর্নীতি নিয়ে ব্যস্ত। হাসপাতালে যেসব টেন্ডার সবকিছু বর্তমানে আওয়ামী লীগের নেতাদের হাতে রয়েছে অনেক আগে টেন্ডারের মেয়াদ শেষ হলেও তিনি দুর্নীতির মাধ্যমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। সে আওয়ামী লীগের তৎকালীন মন্ত্রী ইমরান চৌধুরীর আস্থাবাজান হিসেবে তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে বা অভিযোগ দিতে সাহস পায়নি। সিলেটের বেসরকারি অনেক হাসপাতালে তার শেয়ার রয়েছে। যার কারণে সরকারি হাসপাতালে নার্স দিয়ে পাশে থাকা ক্লিনিকে ডেলিভারি রোগী রেফার্ড করে দেন। কয়েকবার নার্সদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে গেলে সে পাত্তা দেয়না। পরে জানা গেলো সেও সেখানে শেয়ার রয়েছে। সরকারি অফিসকে সে আওয়ামী লীগের আড্ডা খানা হিসেবে তৈরি করেছিলো। গত আওয়ামী লীগের সংসদ নির্বাচনের সরকারি অফিস- কে আওয়ামী লীগের অফিস হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তাদের দুর্নীতির কারণে সচেতন নাগরিকবৃন্দ হাসপাতাল পরিদর্শন গেলে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম দুর্নীতি ও সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া যায়। যেমন রোগীদের খাবার সরবরাহের অনিয়ম, এমএসআর সামগ্রী ঔষধ, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি সরবরাহের অনিয়ম, হাসপাতালের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বরাদ্দকৃত টাকা কাজে না লাগিয়ে আত্মসাৎ করা ইত্যাদি অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে তারা জড়িত।
এলাকাবাসীর দাবি হাসপাতালে রোগীদের সুষ্ঠভাবে সেবা প্রদানের স্বার্থে এই দুই আওয়ামী লীগের দোসর কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে জরুরি ভিত্তিতে অনিয়ম, দুর্নীতি ও সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের।কানাইঘাট প্রতিনিধি: সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স’র উপজেলা স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তা ডা. সুবল চন্দ্র বর্মন ও প্রধান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক মো: রুহুল আমীনের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) সিলেট বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) ও সিভিল সার্জনের কাছে পৃথক অভিযোগ দিয়েছেন এলাকাবাসী।
অভিযোগ এলাকাবাসী উল্লেখ করেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তা ডা. সুবল চন্দ্র বর্মন ও প্রধান সহকারী কাম হিসাব রক্ষক রুহুল আমীন বিগত কয়েক বছর যাবৎ অত্র প্রতিষ্ঠানে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতাদের ছত্র ছায়ায় এবং তাহারা নিজেদের আওয়ামী লীগের কর্মী হিসাবে পরিচয় দিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতি করে আসছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কানাইঘাট এ অবস্থান না করে ডা. সুবল চন্দ্র বর্মন সিলেট হতে মাঝে-মধ্যে কর্মস্থলে আসেন এবং সরকারি গাড়ি নিয়ে জৈন্তা উপাজেলায় চেম্বার করেন। সরকারি বরাদ্দকৃত গাড়ি তিনি নিজের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেন। গাড়ি ব্যবহার করে তিনি সিলেট থেকে কানাইঘাট সহ বিভিন্ন স্থানের পরিবার নিয়ে ঘুরে বেড়ান। উপজেলা স্বাস্থ্য ও প:প: কর্মকর্তা নিজ কর্মস্থলে না থাকার ফলে স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন হাজারো অসহায় দরিদ্র মানুষ। ডা: সুবল চন্দ্র বর্মন আওয়ামী লীগের দোসর সে সব সময় দুর্নীতি নিয়ে ব্যস্ত। হাসপাতালে যেসব টেন্ডার সবকিছু বর্তমানে আওয়ামী লীগের নেতাদের হাতে রয়েছে অনেক আগে টেন্ডারের মেয়াদ শেষ হলেও তিনি দুর্নীতির মাধ্যমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। সে আওয়ামী লীগের তৎকালীন মন্ত্রী ইমরান চৌধুরীর আস্থাবাজান হিসেবে তার বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে বা অভিযোগ দিতে সাহস পায়নি। সিলেটের বেসরকারি অনেক হাসপাতালে তার শেয়ার রয়েছে। যার কারণে সরকারি হাসপাতালে নার্স দিয়ে পাশে থাকা ক্লিনিকে ডেলিভারি রোগী রেফার্ড করে দেন। কয়েকবার নার্সদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে গেলে সে পাত্তা দেয়না। পরে জানা গেলো সেও সেখানে শেয়ার রয়েছে। সরকারি অফিসকে সে আওয়ামী লীগের আড্ডা খানা হিসেবে তৈরি করেছিলো। গত আওয়ামী লীগের সংসদ নির্বাচনের সরকারি অফিস- কে আওয়ামী লীগের অফিস হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তাদের দুর্নীতির কারণে সচেতন নাগরিকবৃন্দ হাসপাতাল পরিদর্শন গেলে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম দুর্নীতি ও সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া যায়। যেমন রোগীদের খাবার সরবরাহের অনিয়ম, এমএসআর সামগ্রী ঔষধ, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি সরবরাহের অনিয়ম, হাসপাতালের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বরাদ্দকৃত টাকা কাজে না লাগিয়ে আত্মসাৎ করা ইত্যাদি অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে তারা জড়িত।
এলাকাবাসীর দাবি হাসপাতালে রোগীদের সুষ্ঠভাবে সেবা প্রদানের স্বার্থে এই দুই আওয়ামী লীগের দোসর কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে জরুরি ভিত্তিতে অনিয়ম, দুর্নীতি ও সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের।

 

For more information

আরো দেখুন|