সিলেট , ,

মহাসড়কে সমাবেশ করলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা

News Room
প্রকাশিত July 30, 2024, 07:33 PM
মহাসড়কে সমাবেশ করলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা

মহাসড়কে সমাবেশ করলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা

আওয়াজ ডেস্ক: কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে শিক্ষার্থীদের সব দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে শোভাযাত্রা ও সমাবেশ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনের মহাসড়কে ‘নিপীড়ন বিরোধী শিক্ষক সমাজ’-এর ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। এতে প্রায় ২০০ শিক্ষক অংশ নেন।

দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনের সামনে থেকে মাথায় ও মুখে লাল কাপড় বেঁধে শিক্ষকেরা র‌্যালি বের করেন। র‌্যালিটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিণ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের দিকে যেতে শুরু করে। ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে প্রধান ফটকের সামনে আগে থেকেই বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকও তালাবন্ধ ছিল। শিক্ষকেরা তালা খোলার অনুরোধ করলে পুলিশ তালা খুলতে বারণ করে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিযুক্ত নিরাপত্তাকর্মী তালা খুলে দিলে শিক্ষকেরা প্রধান ফটকের সামনে লাইন ধরে সমাবেশে মিলিত হতে থাকেন। এ সময় পুলিশের কর্মকর্তারা দ্রুত কর্মসূচি শেষ করার অনুরোধ করেন।

সমাবেশে শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য দেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সালেহ হাসান নকীব, অধ্যাপক রায়হানা শামস ইসলাম, প্রাণরসায়ন বিভাগের অধ্যাপক রেজাউল করিম, প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম ফারুকী, ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক ইসমত আরা, অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন খান, আরবি বিভাগের অধ্যাপক ইফতিখারুল আলম মাসউদ, মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম প্রমুখ।

এসময় ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিভাগের অধ্যাপক ইসমত আরা বক্তব্য দেওয়ার সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন, ‘আজকে আমার সন্তান কীসের জন্য প্রাণ দিল? তাঁদের দাবিটা কি খুব অন্যায্য ছিল? প্রধানমন্ত্রী কি তাঁদের এই দাবি মানতে পারতেন না? উনার কোথায় সমস্যা? উনারও তো সন্তান আছে। আমিও দুই সন্তানের মা। আজ মা হিসেবে আমি কথা বলতে পারছি না। আমি শুধু সেই মায়েদের কথাই ভাবছি, যাঁদের সন্তানেরা তাজা রক্ত দিয়ে বলে গেল, আমাদের যৌক্তিক দাবি আমরা আদায় করেই ছাড়ব।’

তাছাড়া অধ্যাপক ফরিদুল বলেন, ‘আমাদের শিক্ষকসমাজ গতকাল পেনশন নিয়ে একটি মিটিং করেছে। আমি লজ্জিত শিক্ষক হিসেবে। এই অবস্থায় শিক্ষকদের পেনশন নিয়ে বসা উচিত হয়নি। অনেক সময় আছে। আপনার পেনশন মেনে নিতে বাধ্য। এখন আর কেউ বলবে না যে ওরা আন্দোলন করছে, করুক, ক্লান্ত হয়ে গেলে ফিরে যাবে। এই কথা বলার সাহস আর কারও নেই।’

 

 

For more information

আরো দেখুন|