ভিসা বাতিলে নতুন ইতিহাস
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই অভিবাসন ও ভিসা নীতিতে চরম কঠোরতা অবলম্বন করছে ওয়াশিংটন। স্থানীয় সময় সোমবার (১২ জানুয়ারি ২০২৬) মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত এক বছরে তারা ১ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে। এটি গত কয়েক দশকের মধ্যে এক বছরে সর্বোচ্চ ভিসা বাতিলের রেকর্ড।
কোন কোন ভিসা বেশি বাতিল হয়েছে?
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাতিলের তালিকায় সাধারণ পর্যটন ও ব্যবসায়িক ভিসার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিভাগও রয়েছে:
ভিসা বাতিলের প্রধান ৪ কারণ
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপ-মুখপাত্র টমি পিগোট জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে ভিসা বাতিলের হার প্রায় ১৫০ শতাংশ বেড়েছে। মূলত ৪টি সুনির্দিষ্ট অপরাধ বা ভুলের কারণে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে:
-
ওভারস্টে (Overstay): ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা।
-
মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো (DUI): ট্রাফিক আইন ভঙ্গ ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করা।
-
সহিংসতা (Violence): যেকোনো ধরনের মারামারি বা সহিংস ঘটনায় জড়িয়ে পড়া।
-
চুরি (Theft): চুরির মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকা।
‘ভিসা কোনো অধিকার নয়, একটি সুবিধা’
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এই পদক্ষেপের বিষয়ে হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে, আমেরিকার ভিসা পাওয়া কোনো অধিকার নয়, বরং এটি একটি বিশেষ সুযোগ। যারা এই দেশের আইন ও নিরাপত্তা ভঙ্গ করবে, তাদের এই সুবিধা যেকোনো সময় কেড়ে নেওয়া হবে।
প্রশাসন আরও জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রকে নিরাপদ রাখতে অপরাধীদের দেশ থেকে বিতাড়িত করার এই প্রক্রিয়া ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। যারা বৈধ ভিসা নিয়েও অপরাধে জড়াচ্ছেন, তাদের জন্য কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।
এক নজরে পরিসংখ্যান (২০২৫-২৬):
| বিবরণ |
সংখ্যা / তথ্য |
| মোট বাতিলকৃত ভিসা |
১,০০,০০০+ |
| বাতিলকৃত স্টুডেন্ট ভিসা |
৮,০০০ |
| বিশেষায়িত ভিসা বাতিল |
২,৫০০ |
| বৃদ্ধি (২০২৪ বনাম ২০২৫) |
১৫০% |
For more information
আরো দেখুন