সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে ভোটকেন্দ্রের ভেতরে এবং আশপাশের ৪০০ গজ এলাকার মধ্যে সাধারণ ভোটারদের মোবাইল ফোন বহন বা ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে ভোটকেন্দ্রের প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে নির্দিষ্ট তিন শ্রেণির কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম শিথিল করা হয়েছে।
মোবাইল ফোন ব্যবহারের অনুমতি পাচ্ছেন যারা: ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, কেবল নিম্নলিখিত ব্যক্তিরা ভোটকেন্দ্রে ফোন ব্যবহার করতে পারবেন: ১. সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার। ২. ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ ইনচার্জ। ৩. ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ‘নির্বাচন সুরক্ষা ২০২৬’ অ্যাপ ব্যবহারকারী আনসার বা ভিডিপির ২ জন সদস্য。
ভোটগ্রহণের সময়সূচি ও পরিসংখ্যান: আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা ৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। এবারের নির্বাচনে দেশজুড়ে ৪২ হাজারেরও বেশি ভোটকেন্দ্রে প্রায় আড়াই লক্ষ ভোটকক্ষে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ভোটাররা। ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৯টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে; কেবল শেরপুর-৩ আসনে একজন প্রার্থীর মৃত্যুর কারণে ভোটগ্রহণ স্থগিত রয়েছে।
বিতর্ক ও প্রতিক্রিয়া: নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জার্নালিস্ট কমিউনিটি (বিজেসি) এবং বেশ কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী। তারা দাবি করেছেন, এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা স্বচ্ছ নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করতে পারে এবং ভোট জালিয়াতির সুযোগ করে দিতে পারে। বিশেষ করে সাংবাদিকদের জন্য এই নিয়ম পেশাগত দায়িত্ব পালনে অন্তরায় হবে বলে তারা মনে করছেন。 তবে কমিশন জানিয়েছে, গোপন কক্ষে ভোটের ছবি তোলা বন্ধ করতে এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে。
For more information
আরো দেখুন