সিলেট ১৩ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ৭ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

“নিঃস্বার্থ সমাজ সেবায় যারা নিজেদের বিলিয়ে দিচ্ছেন, তাঁদের অঢেল অর্থ সম্পদ হয় না”

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৪, ০৩:১৯ অপরাহ্ণ
“নিঃস্বার্থ সমাজ সেবায় যারা নিজেদের বিলিয়ে দিচ্ছেন, তাঁদের অঢেল অর্থ সম্পদ হয় না”

সাংবাদিক বুলবুল এশিয়ান টেলিভিশন'র স্টাফ রিপোর্টার পদে পদোন্নতি পেয়েছেন


খাঁটি দেশ প্রেমিক স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতিদের অন্যতম মজলুম জননেতা মাওলানা মরহুম আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। অন্যদিকে দেশের মানুষের মুক্তি ও জাতিকে মাথা উঁচু করে দাঁড় করানোর জন্য বছরের পর পর জেল—জুলুম, নির্যাতনের শিকার হয়ে নিজের জীবনসহ পরিবারের জীবন উৎসর্গ করে গেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। দেশকে সমৃদ্ধশালী ও মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে দিনরাত হাটে—মাঠে চষেও বেড়িয়েছেন। দেশ ও মানুষের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন স্বাধীনতার মহান নায়ক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ, পাশাপাশি শুধু একটি দেশকে স্বাধীনই করেননি, দেশকে শত্রুমুক্ত করতে নিজের জীবনবাজি রেখে সমর যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং যুদ্ধ করেছেন মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এমএজি ওসমানী, দেশপ্রেমিক এসব মহানায়কদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।
আল্লাহ পাক তাঁদেরকে জান্নাত নছিব করুন।

আমরা তাঁদেরই অনুসারী, এই মহানায়কেরা আমাদের মত মানুষদের আইডল। কিন্তু খেয়াল করলে দেখা যায়, এ সব মহানায়কদের কারওই অঢেল সম্পদ ছিল না, তাঁদের সম্পদ হলো মানুষের ভালবাসা। সমাজসেবা করতে হলে প্রথমেই প্রয়োজন মন—মানসিকতা ও পারিবারিক শিক্ষা। অনেকের অর্থ—সম্পদ থাকার পরও সামাজিক কর্মকান্ড ও মানবিক কাজে তাদের উপস্থিতি নেই। কিন্তু বর্তমানে যারা সমাজসেবাকে তাদের দায়িত্ব মনে করে দেশ ও সমাজের জন্য নিজেদেরকে বিলিয়ে দিয়ে যাচ্ছেন, তাঁদের তেমন অর্থ—বিত্ত না থাকলেও এই সমাজকর্মী মানুষেরা মানবিক কাজ করে সন্তুষ্ট, তাঁরা সমাজসেবা করেন মানুষ হিসেবে নিজেদের দায়িত্ব মনে করে। আর যা—ই করেন, সব—ই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য, ইহকালে তাঁরা চান শুধু সম্মান ও ভালবাসা। কিন্তু বর্তমানে যারা রাজনীতি ও সমাজসেবা করেন,তাদের বেশিসংখ্যকেই রাজনীতি ও সমাজসেবাকে ব্যবসা হিসেবে নিয়ে, অঢেল সম্পদের মালিক হয়ে আজ তারাই সমাজকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তদের মূল্যায়ন এই গুণেধরা সমাজে সবচেয়ে বেশি, তাদের টাকা ও মন ভোলানো কথায় আমজনতা সবই ভুলে যান! তাদের কৌশল ও কালো টাকার কাছে ভালো মানুষেরা হেরে যান, তখনই কষ্ট হয়। এগুলো দেখে অনেকে মন কষ্ট নিয়ে ও নিজেদের ভবিষ্যতের শংকায় দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছেন । পাশাপাশি বর্তমান প্রজন্মের বেশিসংখ্যক মেধাবীরা হতাশা ও নিজেদের ভবিষ্যত শংকায় দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছে। দেশ রক্ষা, সুন্দর সমাজ বিনির্মাণ এবং আগামী প্রজন্মের জন্য শান্তিময় দেশ গড়তে, অমানবিক টাকাওয়ালা, পেশাজীবি সমাজসেবী ও রাজনীতিবীদদের এখনই থামিয়ে দিতে হবে। নীতিবান—আদর্শবান, দেশপ্রেমিক মাঠের কর্মী রাজনীতিবীদ ও সমাজকর্মীদের যোগ্যতা অনুযায়ী দায়িত্বশীল আসনে বসিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত, মেধাবীদের হতাশা ও শংকা দুর করে মেধার পাচার বন্ধ করতে হবে। তাহলেই আগামী প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বসবাস যোগ্য স্মার্ট বাংলাদেশ গড়া সম্ভব হবে।
আসুন সবাই বদলে যাই, বদলে দেই……বুলবুল।
লেখক: রোটারিয়ান পিপি শাহজাহান সেলিম বুলবুল পিএইচএফ
এসিস্ট্যান্ট গভর্ণর: রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩২৮২ বাংলাদেশ
উপদেষ্টা: সিলেট সোসাইটি
সম্পাদক ও প্রকাশক,সাপ্তাহিক সিলেটের আওয়াজ
স্টাফ রিপোর্টার, এশিয়ান টেলিভিশন

For more information

আরো দেখুন|