সিলেট ২৪শে জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১৮ই মহর্‌রম, ১৪৪৬ হিজরি

জগন্নাথপুরে পানি নিস্কাশন বন্ধ থাকায় মসজিদের অজু খানায় জলাবদ্ধতা

admin
প্রকাশিত আগস্ট ২৪, ২০২৩, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ণ
জগন্নাথপুরে পানি নিস্কাশন বন্ধ থাকায় মসজিদের অজু খানায় জলাবদ্ধতা

সিলেটের আওয়াজ ডেস্ক ; 

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌর শহরের ঐতিহ্যবাহী ইকড়ছই মির্জাবাড়ী জামে মসজিদের অজু খানায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে গত প্রায় দুই মাস ধরে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে আসা হাজারো মুসল্লিরা দুর্ভোগে পড়েছেন। পানি নিস্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অজু খানায় এ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।
সরেজমিনে মসজিদের মুসল্লি সহ স্থানীয়রা জানান, মসজিদের পেছনে রয়েছে অজুখানা। এ অজু খানার পানি মাটির নিচ দিয়ে যাওয়া ড্রেনের মাধ্যমে গিয়ে স্থানীয় মাদ্রাসা পয়েন্টে থাকা সরকারি খালে গিয়ে নিস্কাশন হতো। গত কয়েক মাস আগে মসজিদের ঈদগাহের পাশে উপজেলার পাটলি গ্রামের বাবুল মিয়া নামের এক ব্যক্তি নতুন ভবন নির্মাণ করছেন। নির্মানাধীন ভবনের সামনে ছিল সরকারি খাল। বর্তমানে এ সরকারি খাল মাটি ভরাট করে তিনি নির্মাণ সামগ্রী রেখেছেন। ফলে মসজিদের পানি নিস্কাশন পথ বন্ধ হয়ে যায়। যে কারণে মসজিদের অজু খানায় ময়লা পানি জমে আছে। এতে নামাজে আসা মুসল্লিরা দুর্ভোগে পড়েছেন।
এ ব্যাপারে ২৩ আগস্ট বুধবার মসজিদ পরিচালনা কমিটির পক্ষে মির্জা দিলওয়ার হোসেন বলেন, মসজিদের অজু খানার পানি নিস্কাশন হতো সরকারি খালে গিয়ে। বর্তমানে খাল মাটি ভরাট করেছেন পাটলি গ্রামের বাবুল মিয়া। এতে পানি নিস্কাশন বন্ধ হওয়ায় অজু খানায় হাঁটু পানি জমে গেছে। ফলে হাজারো মুসল্লিদের মধ্যে ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। যে কোন সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে। তাই দ্রæত এ সমস্যার সমাধান চাই। তা না হলে মুসল্লিরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবেন। এর মধ্যে গত প্রায় এক মাস আগে মসজিদের নালার সীমানা চিহিৃত করতে জগন্নাথপুর পৌরসভার মেয়র বরাবরে সার্ভেয়ার নিয়োগের জন্য গণ-স্বাক্ষরিত আবেদন প্রদান করা হয়েছে। যার অনুলিপি জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) ও জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবরে প্রেরণ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জগন্নাথপুর পৌরসভার মেয়র মোঃ আক্তার হোসেন বলেন, সরকারি খাল ভরাট করায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। মসজিদের পানি নিস্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে। জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.সাজেদুল ইসলাম জানান, বিষয়টি খোঁজ-খবর নিয়ে দেখবো। তবে চেষ্টা করেও খাল ভরাটকারী বাবুল মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।